Sunday, July 12, 2020

■■||পাতি নয় 'পাতরাতু'||■■

    পৃথিবীতে দেখার জিনিসের কোনও শেষ নেই আর সেটা যদি ঘোরার জাইগা হয় তাহলে তো কথাই নেই। আজ এই রকম একটি জাইগার কথা আপনাদের বলবো এক ঝলক দেখলে 'জুলুক' বলে ভুল হতেই পারে এবং সেটা স্বাভাবিক ও! সেই একই রাস্তার দুধারে সবুজে মোরা প্রশস্ত পথ, একই এঁকেবেঁকে এক মনে চলা রাস্তা , যাকে আমরা 'জিগজ্যাগ রোড' বলে জানি- সেই সমস্ত হুবহু এক! সব এক হলেও আজ যে জায়গাটার নাম আপনারা জানবেন তা শুনলে বিষম খেতেই পারেন!  কারন জায়গাটি নর্থ বেঙ্গল তো দূরে থাক তার আশেপাশেও না। আজকের গন্তব্য হল 'পাত্রাতুভ্যালি'।

   পাত্রাতুভ্যালি ঝাড়খন্ড জেলায় অবস্থিত বর্তমান সময়ে ভীষন জনপ্রিয় একটি টুরিস্ট স্পট! রাতু থেকে পাত্রাতু যাওয়ার রাস্তায় পিথুরিয়া পার করলেই চোখের সামনে খুলে যাবে একের পর একর চমক! পুরো রাস্তা জুড়ে রয়েছে রূপকথার মত সাজানো জায়গা দৃশ্য! এতটাই মন মহোক যে সেই পথ আপনাকে টেনে নিয়ে যেতে বাধ্য করবেই সামনের দিকে! যত এগোবেন মনে হবে জুলুক কিংবা খান্ডালা-লোনাওয়ালা- পুনে রোড ধরে এগিয়ে চলেছেন আপনি। মনেই হবেনা যে এইখান থেকে রাচি মাত্র 35 কিমি দূরেই!  রোমাঞ্চকর অনুভূতি পেতে গেলে ঘুরে আসতে পারেন পাত্রাতু ভ্যালি! উপর থেকে ছবিতে দেখলে মনে হবে জটের মতন পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে রাস্তা চলেগেছে সামনের দিকে আর সেই রাস্তার শেষে গেলে এক অদ্ভুত সুন্দর ভিউএর সাক্ষী থাকবেন তা নিশ্চিত! 

    এইখানে গেলে 'পাত্রাতু লেক রিসোর্ট' ঘুরে আসতে পারেন। মাত্র 20 টাকার বিনিময়ে টিকিট মিলবে। ভেতরে রয়েছে পাতরাতু লেক। নৌকা বিহারে যেতে মন্দ লাগবেনা। চিলকা লেক যারা গেছেন তারা হয়তো ভাবতে পারবেন 'আবার লেক! গলা কাটবে' ! একদম না বিশ্বাস করুন! খুব সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে আরো বেশি সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।পাহাড় বেষ্টিত এখানে লেক। শীত কালে না না পরিযায়ী পাখি এসে জানান দেয় শীত এসেছে! পিকনিক স্পট হিসাবে এই জায়গাটি খুব নজর কেড়েছে। তাছাড়া না না ধরনের স্পোর্ট এক্টিভিটির সুযোগ রয়েছে। ছোট থেকে বড় সবার জন্যই কিছুনা কিছু আছে। তাছাড়া পাতরাতু ড্যাম আছে। দেখে নিতে পারেন।

 কখন যাবেন?
নভেম্বর থেকে মার্চ মাস ভীষণ উপযুক্ত সময় এইখানে যাওয়ার। তবে বর্ষা কালে গেলেও একদম আলাদা রকমের এবং অদ্ভুত সৌন্দর্যের সাক্ষী থাকবেন তা না বললেই নয়। কারন একদিকে মেঘলা অবহাওয়া আর বৃষ্টির জলে বেড়ে ওঠা সবুজ গাছপালার দাপট আপনার মন কাড়বেই!


























Friday, July 10, 2020

মুন্দিরা : একটি বাউল গ্রাম

    ছোটো থেকেই আমার একটা নেশা হল ঘোরা অবশ্যই তার জন্য বাড়ির লোকজন অনেক টাই দায়ী। বড় হবার সাথে সাথে এই নেশা টাই যে পেশা হয়ে যাবে তা কে জানত। তাই এই নেশা ও পেশার জন্য অনেক অনেক জায়গা ঘুরেছি, সেটা ভারত ও কিছু ক্ষেত্রে ভারতের বাইরেও। কিছু জায়গা  এমনও আছে যেখান থেকে আমরা ফিরে আসতে ইচ্ছা করে নি, তার মধ্যে একটি জায়গা মুন্দিরা মিউজিকাল ক্যাম্প.

     আমার আর একটা সখ হল বাইকে করে বেরিয়ে পরা এর একটা বড় ক্যান্ড করেছিলাম ২০১৯ ঠিক এই সময় দুই বন্ধু নেপাল চলে গিয়েছিলাম সে গল্পও কোন দিন টাইম হলে শোনাবো খন। অনেক দিন ধরেই এই জাইগা টার কথা শুনছিলাম তাই ঠিক করি এটা বাইকে যাব।একদিন সকাল সকাল  ৮.৩০ বেরিয়ে পরলাম বাড়ি থেকে যেহেতু এই রাস্তা আমার চেনা তাই বেশিক্ষণ সময় লাগল না শক্তিগড় আসতে ৯.৩০ মধ্যে চলে এলাম ,শক্তিগড় মানেই ল্যাংচা না আমি ল্যাংচা না খেয়ে সোজা পৌঁছলাম চায়ের দোকানে ব্যাপক চা করে এখানে ১ কাপ ছা খেয়ে এক্তু ওয়েট করে সজা চললাম  মুন্দিরা দিকে  ৩ ঘন্টায় সেখানে পৌঁছে গেলাম।সিঙ্গুর থেকে  ম্যাপ এ যে ১৪৭ কিলোমিটারের রাস্তা দেখছিলাম সেটা শেষ হলো. তবে বলে রাখি এখানে আসার ২ টি রস্তা আছে একটি সোজা দুর্গাপুর রোড ধরে বর্ধমান হয়ে পানাগর-মালঞ্ছদিহি-মুন্দিরা ( তবে এই পথে জয়দেব কেন্দুলি সেতু টি ভাঙ্গা তাই এটি গ্রামের মানুষেরা একটি বাঁশের ব্রিজ করেছেন সেটি পেরতে আপনাকে ১৫ টাকা করে দিতে হবে)। আর একটি বর্ধমান হয়ে - গুশকরা - ইলামবাজার হয়ে মুন্দিরা।তবে দ্বিতীয় পথে গাড়ির ভিড় টা বেশি হয়।

    যাবার আগে থেকেই বিজয় দা কে বলা ছিলো, দাদা সোজা নিয়ে চলে গেলো অজয় নদ এর ধারে, ক্যাম্প এ গিয়েই দেখা হলো  সাধু দাস, অনিমেষ এর সাথে যারা জয়গুরু বলে সম্বোধন করেন সবাই কে, ক্যাম্প এ পৌঁছে ই আপনার প্রথম ইচ্ছা হবে নদ এর পারে যেতে হবে, আপনাকে জানিয়ে রাখি এই ক্যাম্প এ আপনাকে ওয়েট করতে হবে না কখন কে দোতারা নিয়ে আসবে আর আপনাকে গান শোনাবে, এখানে এক আখরা তৈরি করা হয়েছে যেখানে সাধনা করে বাউলারা।লাঞ্চ করে আমি যখন গেলাম আখরা তে ততক্ষণ এ বাউলারা মেতে উঠেছিল নিজের ছন্দে। তেনারা এক গান দুই বার ধরবেন না, এদের সাথে কথা না বললে বুঝবেন না এই মানুষ গুলোর প্রায় বিদেশ থেকে ডাক পড়ে সঙ্গীত সাধনা এর জন্য।

     বিকেলের সূর্য নামতে নামতে ই কাঙ্গাল খাপা, সাধু দাস,  সনাতন বাবা, বাপি বাবা আর ও কিছু মানুষ এসে সেই যে বোল ধরলেন কখন যে চা এর কাপে চুমুক মারতে মারতে রাত 10 টা বেজে গেলো আমরা খেয়াল করি নি, হয়তো আমর জীবন এর সেরা সন্ধ্যা গুলোর মধ্যে এটা একটা, রাতে খাওয়ার পর পুরো জায়গা টা কেমন শান্ত হয়ে গিয়েছিলো, ক্যাম্প এর চারিদিকে মশাল এর মতো আলো আর নদ এর হাওয়া তে কিভাবে একটা ঘুম লেগে গেলো জানি না, আবার ভোর এ ঘুম ভাঙলো দোতরার টুং টুং আওয়াজ এ।

  আমরা সবাই যারা গীতগোবিন্দ অল্প হলে ও জানি তারা জানবেন যে কবি জয়দেব প্রেম এর কবি ছিলেন,এবং আমার মনে হয় তিনি সেই প্রেম এখনকার মানুষ, প্রকৃতি সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন. আমার মনে হয় আপনার যদি আর ও একবার প্রেম বুঝতে চান আসুন মুন্দিরা তে, আমি মন থেকে বলছি আপনি কিছু না কিছু নিয়ে আসতে পারবেন ওখান থেকে...!!

বিদ্রঃ তথ্য ও ছবি অয়ন...............                                                                  ................কলমে  দেব












Saturday, July 4, 2020

উত্তর বাংলার ভূস্বর্গ : লেপচাখা

        আজ আপনাদের পরিচয় করাবো  আলিপুরদুয়ারের উওর দিকে এক পাহাড়ি গ্ৰাম "লেপচাখা"। এই নাম শোনেননি এমন ভ্রমনরসিক বাংঙ্গালি আজকের দিনে খুবই বিরল।বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের অন্তরগত সান্তালাবাড়ির থেকে মাত্র ৭ কি.মি দূরে অবস্থিত লেপচাখার পার্থিব সৌন্দর্যের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব।
        
      লেপচাখা ভারত-ভুটান সীমান্তের নিকটবর্তী বক্সা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত একটি ছোট গ্রাম তবে অত্যন্ত সুন্দর। বক্সা দুর্গ থেকে আরও 3 কিলোমিটার ট্র্যাক আপনাকে লেপচাখার মনোরম গ্রামে নিয়ে যাবে।লেপচাখার মূল আকর্ষণ হ'ল পাহাড়ের টেবিল এর মতো শীর্ষ অঞ্চল সেখান থেকে আপনি ডুয়ার্স অঞ্চলের সমস্ত নদী প্রবাহ দেখতে পাবেন। এটি একটি অসাধারণ সুন্দর দৃশ্য। এবং আমি মনে করি লেপচাখাকে বর্ণনা করার জন্য ব্যবহৃত সমস্ত বিশেষণগুলি ন্যায়সঙ্গত। উপরের দিক থেকে, আপনি বক্সা টাইগার রিজার্ভ, ভুটান পাহাড় এবং সুন্দর পার্শ্ববর্তী একটি প্যানোরামিক ভিউ পাবেন। গ্রামে একটি সাদা বৌদ্ধ স্তূপও রয়েছে যা ছোট্ট গ্রামের বাড়ির মাঝে দর্শনীয় দেখায়। লেপচাখা মূলত ডুকপা অধিবাসীদের একটি ছোট্ট গ্ৰাম।এক ঝলক দেখলে মনে হবে আপনি ভূটানের কোনো গ্ৰামে অবস্থান করছেন।প্রসঙ্গত বলে রাখি অতীতে লেপচাখা ভূটানের অধিনে ছিল।পরবর্তীতে ইংরেজ শাসন কালে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।বর্তমানে লেপচাখাতে প্রায় ৭০ টি ডুকপা পরিবার বসবাস করেন।এরা মূলত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।গ্ৰামে ঢুকতেই একটি মনাষ্ট্রি আপনাকে স্বাগত জানাবে আপনার কিছু ক্ষণের জন্মে মনে হতে পারে আপনি হয়ত ভুটানের কোনও গ্রামে এসে পড়েছেন।  প্রায় ৩০০০ ফুট হওয়ার জন্য এখানকার আবহাওয়া সারা বছরই বেশ মনোরম থাকে। গ্রামবাসীরা খুব শান্তিপূর্ণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ, বিশেষত বাচ্চারা। মানুষ দেখে তারা বেশ খুশি হয়। অনেকেই জয়ান্তী,বক্সাফোর্ট ঘুরতে এসে অনেকেই লেপচাখায় দু-এক দিনের জন্য ঢুঁ মেরে যায়।সৌন্দর্যের মাঝে লেপচাখায় একটি রাত কাটাতে এই জায়গায় পৌঁছানোর সমস্ত ঝামেলা পুরোপুরি মূল্যবান। লেপচাখায়  সূর্যাস্ত নিঃসন্দেহে খুব সুন্দর।

        লেপচাখা শান্ত ও নিরিবিলি গ্ৰামের জন্য পর্যাটকদের কাছে দিন দিন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।সন্ধ্যায় যদি আপনার আলিপুরদুয়ার ও হাসিমারার আলোর রোশনাই চোখে পড়ে তাহলে পরদিন সকালে পূর্বে সংকোশ নদী থেকে পশ্চিমে তোর্ষানদীর মাঝে বিস্তির্ন বক্সা বাঘবন চোখে পড়বে। কপাল ভালো থাকলে রাজ ধনেশের দেখা পেতে পারেন লেপচাখার আশেপাশে।স্থানীয় বাসিন্দারা ধর্মীয় ও সংস্কৃতিক ভাবে বেশ রক্ষনশীল।তাই বছরের বিভিন্ন সময় পূজা পার্বন অনুষ্ঠিত হয়।বিশেষত, লোসার (নববর্ষ) ও চৈত্র সংক্রান্তিতে পূজার রীতিনীতি।কোন এক দুপুর বা বিকেলে হটাৎই শুনতে পারবেন "ওম মানি পদ্মে হুম" ।         
                                 
              লেপচাখা কে কেন্দ্র করে আপনি "ওছলুম, কাতলুং,রুপম ভ্যালি" ঘুরে আসতে পারেন।এছাড়াও উওরবঙ্গের উল্লেখযোগ্য শিব তীর্থস্থান "মহাকাল" দর্শন করে জয়ান্তী যেতে পারেন।

              সবশেষে দকারি একটি কথা, আপনি ভাবছেন খুব সুন্দর জয়গা যেকোনো সময় যে কোনো বেক্তি পৌঁছে জেতে পারেন. তাহলে একটু ভুল হবে সান্তালাবাড়ির পর থেকে কোনো গাড়ি চলাচল করে না (গাড়ি চলাচলের উপযুক্ত রাস্তা না থাকার জন্য)। তাই যারা নিজের পায়ে ৪ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে মায়ের মায়া ভরা কোলে যেতে চাইছেন, তাদের জন্য লেপচাখা তার সৌন্দর্যের ডালি নিয়ে অপেক্ষা করছে।

 # লেপচাখা ঘোরার জন্য ও হোমস্টের থাকার ব্যবস্থা আছে 



















Wednesday, July 1, 2020

ভ্রমণ স্থান : -- দায়াইপানি

কিংশুক দার সাথে আলাপ টা দেখতে দেখতে অনেক বছর হয়ে গেছে। কোলকাতার এক মেলা তে কিংশুক দাই আলাপ করিয়ে দেয় সুগত র সাথে।ওর কর্ম কাণ্ড এই দায়াইপানি জূড়ে শুনে ছিলাম অনেক আগেই এই জাইগার নাম কিন্তু রূপকারের সাথে আলাপ তো হোলো অনেক পড়ে। সুগত খুবী কর্মঠ আপনি ওকে দেখে বুঝতেই পারবেন না যে ও একটি সুন্দর রিসোর্ট এর মালিক।

পাহাড়ের রানী দার্জিলিং জেলার রঙ্গীত ও রংলিওট ব্লকের একটি নতুন পরিচিত গ্রাম দায়াইপানি , কথার মনে (ঔষধিজল),,গ্রাম টি ভ্রমণ প্রিয় মানুষের কাছে খুব পরিচিত হয় বছর ৫/৬ (5/6YEARS), ছোট্ট সুন্দর ধাপে ধাপে সাজানো পরিপাটি গ্রামটি, একটা অদ্ভুত ব্যাপার হলো এই গ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান এতটাই সুন্দর যে গ্রামের যে কোনো জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে আপনি ১৮০ ডিগ্রি(180") কাঞ্চনজঙ্ঘা ও তার পার্শবর্তী তুষারাবৃত পাহাড় চূড়া আপনার নজর করবে,এই গ্রামের মানুষের বসবাস ১৩৬০(1360) জন মতো, এখানকার মানুষের জীবিকা বলতে বেশির ভাগটাই ধাপ চাষ,,, আর কিছু আছেন শিক্ষক, গাড়ি চালক,ছোট খাটো দোকান ও কিছু হোমস্টে, এই জায়গাটি দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ১৯(19KM) কিলোমিটার,, এই গ্রামের বেশকিছু টা জঙ্গল বেষ্টিত.


আর এই জঙ্গলেই পাওয়া যায় হিমালায়ন কালো ভাল্লুক,চিতা ও আছে লাল পান্ডার আনাগোনা, আছে বহু নাম না জানা পক্ষী প্রজাতি, শোনা যায় স্নো লেপার্ড এর একমাত্র প্রজননের আদর্শ জায়গা,,এই গ্রামের সুমুদ্র পিষ্ট থেকে উচ্চতা ৬৯০০ফুট(6900'),
সিকিমের নামচি শহরের শিবের মন্দির চারধাম গ্রামের যেকোনো হোমস্টে থেকে দেখাযায়,ও দার্জিলিং শহরের রাতের দৃশ্য অপূর্ব এই দায়াইপানি থেকে, ভ্রমণ প্রিয় মানুষদের জন্য এই গ্রাম দুটো দিন থাকার জন্য আদর্শ,,,

★★ কিভাবে যাবেন:-- নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ৭৬কিলোমিটার(76km), দার্জিলিং থেকে ১৯কিলোমিটার(19KM), জোরবাংলো থেকে ৯কিলোমিটার(9km), গাড়ি ভাড়া(সুম/বোলের) নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ৩০০০টাকা(3000), দার্জিলিং থেকে ১২০০টাকা(1200), জোরবাংলো থেকে ৮০০টাকা(800),

★★কি দেখবেন :-- দায়াইপানি থেকে যেহেতু দার্জিলিং খুবই কাছে তাই একদিন সারাদিন দার্জিলিং শহরটা ঘুরে নেওয়া যেতে পারে বা লামহাটা, তাকদা,তিনচুলে র সব জায়গা দেখে নিতে পারেন,,একটা দিন পায়ে হেঁটে গ্রাম টাও ঘুরে নিতে পারেন খুবই ভালো লাগবে,

★★কোথায় থাকবেন :--- এখন এখানে থাকারড়ামে১৪/১৫(14/15) টি হোমস্টে আছে তিনটি ঘর ও চারটি ঘর বিশিষ্ট,,

এই হোমস্টে গুলোতে থাকা ও খাওয়ার খরচ মাথাপিছু প্রতিদিন ১২০০/-টাকা

1200/-, সব কোটা হোমস্টে অনলাইনে এ পেয়ে যাবেন, এছাড়াও বুকিংয়ের জন্য ফোন করতে পারেন,,,

📞📞📞 Dev Tour Travels 9831159401 / 8777741676 এই নম্বরে🙏

★ যেকোনো রেট সিজিন অনুযায়ী ওঠা নাম করে★









চুইখিম

চুইখিম বাগরাকোট থেকে লাভা লোলেগাঁও যাওয়ার পথে পাহাড়ের কোলে সবুজে ঢাকা একটি ছোট্ট গ্রাম হলো চুইখিম। শিলিগুড়ি থেকে ওথলাবাড়ির সাড়ে চার কিলোমিটা...