Friday, October 30, 2020

স্বর্গ রাজ্য ইয়েলবং

#অনেক_হোলো_ভয়_এবার_করবো_জয়

 বাঙালি মানেই ভ্রমণ, আর ভ্রমণ মানেই পাহাড় পাহাড় আর আর পাহাড়  মানেই কিন্তু সব সময় দার্জিলিং নয় আজ একটু অন্য খবর দিতে আমি যাযাবর_দেব চলে এসেছি আপনাদের কাছে যদি ভালো লাগে নিশ্চয় বলতে ভুলবেন না তাহলে আগামী দিনে আরো নতুন জায়গার তথ্য দিতে পারবো। বাঙালি হয়ে বাংলা তে করছি আশা রাখবো আপনাদের ভালো লাগবে........কথা মত নিয়ে চলে এলাম আপনাদের কাছে 

   স্বর্গ রাজ্য ইয়েলবং

           অনেকেই শিলিগুড়ির কাছেই দু তিন দিনের জন্য পাহাড়ি গ্রাম এ কাটাতে চান।তাদের জন্য ইয়েলবং আদর্শ জায়গা।।ইয়েলবাং কালিম্পং পাহাড়ের একটি ছোট্ট গ্রাম, ফ্রান্সিস রাই দ্বারা অন্বেষিত। ।শিলিগুড়ি থেকে ঘন্টা দুএক এ পৌছে যান প্রকৃতি র স্বর্গ রাজ্য ইয়েলবং এ।।শিলিগুড়ি বা নিউ মাল জংশন স্টেশন থেকে আপনি সাধারণত 3 ঘন্টা এই জায়গায় পৌঁছাতে পারেন। বাগরাকোট মোড় থেকে বাম দিকে পথ গেছে ইয়েলবং, চুইখিম,নিমবং, চারখোল এর দিকে।কালীমপং উপত্যকা এবং হিমালয়ের কুয়াশা দ্বারা ইয়েলবং লুকিয়ে আছে, ইয়েলবং উত্তরবঙ্গের এক অজানা রত্ন যা প্রস্রবণ, গভীর জঙ্গল, প্রজাপতি প্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গ, রিভার ক্যাম্পিং, ট্রেকিং এবং  সেরা নদী ক্যানিয়ন গুহা। গুহাটি 2 কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটি উত্তরবঙ্গে 2 কিলোমিটার দীর্ঘ একমাত্র নদীর তীরে গুহা

           ইয়েলবং পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং জেলার একটি ক্ষুদ্র গ্রামীণ পাহাড়ি জনপদ যা আপনাকে স্বাগত জানাতে এবং লুক্কায়িত ধন দেখানোর জন্য প্রস্তুত, মাতৃ প্রকৃতি তাদের চারপাশে রেখেছিল এবং তারা তাদের খুব ভালভাবে রক্ষা করছে আপনি যদি সিনেমার মতো বনের মধ্যে লুকানো জলপথ এবং উঁচু জলপ্রপাত দ্বারা ঘেরা এবং ট্রেকিংয়ের বিষয়ে উন্মাদ হন, তবে উত্তরবঙ্গের ইয়েলবং ছাড়া আপনার আর কোনও জাইগার  দরকার নেই। জলপ্রপাতের উত্তেজনাপূর্ণ সংকীর্ণ পথগুলির কারণে এটির নদী গিরিখাতটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করার ফলে, জায়গাটি এখন দ্রুত একটি অ্যাডভেঞ্চারের জন্য অঞ্চলের পছন্দের স্থান হয়ে উঠছে। এই ছোট্ট পাহাড়ী গ্রামটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার আত্মাকে পূর্ণ করবে। এটি চারপাশে  বন এবং নদী দ্বারা বেষ্টিত। সূর্যোদয়ের আশ্চর্যজনক দৃশ্য পাশাপাশি সূর্যাস্ত আপনাকে কবি বানিয়ে তুলবে। পাখিদের কিচিরমিচির, সুন্দর প্রজাপতির চুম্বন, পাহাড়ী ঢালু থেকে প্রবাহিত নদীর শব্দ, মনোরম যত্নশীল লোকেরা সবাই মিলে এই জায়গাটিকে স্বপ্নের গন্তব্য হিসাবে পরিণত করে।ইয়েলবং থেকে বা হয়ে বেশ কয়েকটা ট্রেকিং রুট ও গড়ে তোলা হয়েছে।।। আরেকটা দারুন তথ্য হল আমরা অনেকেই USA এর ওকলাহোমা তে রবারস কেভ এর নাম শুনেছি, যা আমাদের দেরাদুন এও একটি আছে।। অনেকেই জানেন না, ইয়েলবং এও আপনি রবারস কেভ এর স্বাদ নিতে পারেন।।। ইয়েলবং এর এর সুর্যাস্ত ও মনোগ্রাহী।।। পীঠে একটা ছোট্ট ব্যাগ ঝুলিয়ে যারা পাহাড়ি গ্রাম এর জীবন, ছোট্ট ঝোড়া, পাহাড়ের দিনলিপি প্রত্যক্ষ করতে চান, তাদের জন্য ইয়েলবং কিন্তু আদর্শ।।। ইয়েলবং গড়ে তোলার জন্য Help Tourism এর রাজ বাসু র ভুমিকা অনস্বীকার্য।।

কীভাবে পৌঁছে যাবেন ইয়েলবং?

নিকটতম বিমানবন্দর - বাগডোগরা (আইএক্সবি)
নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন - নতুন মাল জংশন (এনএমজেড)
বাগডোগরা থেকে, এটি 70০ কিলোমিটার এবং নিউ মাল জংশন (এনএমজেড) থেকে ৩৫ কিলোমিটার (1.5 ঘন্টা) যাতায়াত করে কিছু বিস্ময়কর চা বাগান, বন, পাহাড়ি প্রাকৃতিক দৃশ্য, ছোট ছোট শহর এবং গ্রাম  নিউ জলপাইগুড়ি জংশন (এনজেপি) থেকেও এখানে পৌঁছানো যায়। এনজেপি থেকে 50 কিলোমিটার 2.5 ঘন্টা ড্রাইভ।

কি কি ট্রিপ করতে পারবেন:

1. YELBONG RIVER CAMPING & TREK TRAIL (3 Days & 2 Night at River Camping) 6100/-
2. YELBONG HOMESTAY & TREK TRAIL (3 Days & 2 Night at Yelbong Homestay) 3000/-
3. CHUIKHIM & YELBONG TRAIL(4 Days & 3 Night at Yelbong & Chuikhim Homestay) 4500/-

তথ্য ও ফোটো বিজয়ন ও সঞ্জয়

কলমে দেব.........

Monday, September 21, 2020

সিটং একটি লুকনো রত্ন

    আজ কিন্তু সিটং নাম শোনেন নি এমন বাঙালি খুঁজে বের করতে হবে। আমি যখন প্ল্যান করেছিলাম ২০১৮ সালে তখন প্রথম নাম টি শুনে কৌশিক বাবু বলে ছিলেন এটা আবার কোন খানে। আজ যখন লিখতে বসছি নতুন করে কিছু বলার নেই সিটং এর ব্যাপারে তাও যারা জানেন না তাদের একটু জানাবার চেষ্টা করছি।।

পাহাড়ে ঘেরা, সবুজে ঢাকা এক সাজানো এক লেপচা জনপদ। নাম সিটং। কার্শিয়ং মহকুমার এই ছোট্ট এলাকাই এখন পর্যটন মানচিত্রের নতুন আকর্ষণ। রয়েছে সাধ্যের মধ্যে হোম স্টে পরিষেবাও । আর এখান থেকেই আপনি পাবেন পাহাড়ের সবথেকে মহার্ঘ , ১৮০ ডিগ্রি কাঞ্চনজঙ্ঘা র অনুপম দৃশ্য । আপনি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মিরিক হয়ে আসতে পারেন অথবা কার্শিয়ং হয়ে দিলারাম থেকে ডানদিকে বাঁক নিয়ে । ঘণ্টা দুয়েক লাগবে ।

প্রথমদিন পৌঁছে একটু হেঁটে ঘুরে নিন আশপাশের লেপচা গ্রাম , পাঁচ পোখরি , নামথিং পোখরি আর একটু ছোট করে জঙ্গল ট্রেক । সিটং থেকে আপনি গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিতে পারেন কলিঝোরা, মনে রাখতে হবে সিটং কমলালেবু গার্ডেনের জন্যে বিখ্যাত । তাই গার্ডেন মিস করলে সেটা অন্যায়। তবে কোন সিজনে যাচ্ছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। মংপু ( খোঁজ নিয়ে যাবেন বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে), চার্চ , লাটপঞ্চার, আলধারা ভিউ পয়েন্ট, মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ সঙ্কচুয়ারি ( ভোর বেলা না গেলে পাখি দেখা হবে না) রিয়াং রিভার এর ওপর যোগীঘাট ব্রিজ ,এই জায়গা গুলো এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পক্ষি দর্শনের জন্যে । মিনিট দশেক নেমে গেলে পাবেন কমলালেবুর বাগান ( শীতকালে )। আপনাকে স্বাগত জানাবে গাছে ঝুলে থাকা , থোকা থোকা কমলালেবু ।

তবে কি এই পূজোর ছুটিতেই যাদের টিকিট আছে কিন্তু জায়গা ঠিক করতে পারেন নি , চলুন এই অরেঞ্জ ভ্যালিতে । ফোন করুন বুকিং এর জন্যে যাযাবর দেব কে @ ৮৭৭৭৭৪১৬৭৬ @ 9831159401)
থাকা খওয়া দিন প্রতি ১২৫০/-












Friday, August 21, 2020

লামাগাঁও

 আপনি কি পাহাড় বলতে দার্জিলিং, সিকিম, ছাড়া নর্থ বেঙ্গলের অন্য অফ বিট কোন জায়গার কথা ভাবছেন কিন্তু ঠিক করতে পারছেন না কোথায় যাবেন তাহলে আপনি একদম ঠিক পোস্ট দেখছেন। আজ আমি পরিচয় করিয়ে দেবো আপনাদের একটি সুন্দর গ্রামের যেটি দার্জিলিং থেকে মটে ৪০ কিমি দূরে অবস্তিত

লামাগাঁও উচ্চ পর্বতমালার পরিসরের মধ্যে অবস্থিত একটি ছোট্ট সুন্দর গ্রাম যা দার্জিলিং জেলার -বিজনবাড়ি উন্নয়ন ব্লকের অন্তর্গত, দার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ৩৫-৪০ কিলোমিটার দূরে এবং প্রায় ১২ বিজনবাড়ি থেকে কিলোমিটার।এই জায়গাটি স্থানীয়ভাবে জন্মানো উদ্ভিদ 'ইস্কুস' এর জন্য বিখ্যাত যা উপত্যকার অন্যতম প্রধান চাষ। ইস্কাস ছাড়াও এলাচ লামাগাঁওয়ের স্থানীয় কৃষকরা চাষাবাদ করেছেন।শান্তি ও শান্ত পরিবেশের জন্য আপনার নিখুঁত গন্তব্য এবং এটি টাঙ্গলু এবং সান্দাকফু কেও সংযুক্ত করে সামসু এবং ধোত্রিয়া গ্রামের এর মাধ্যমে।

লামাগাঁয়ে থাকার সবচেয়ে ভাল জায়গা হ'ল হোমস্টে যা লামাগাঁও গ্রামের মধ্যে অবস্থিত। হোম স্টে টি সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের পাদদেশে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ট্রেকিং, হাইকিং, অফ-রোড ড্রাইভ, ফিশিং, বার্ডিং এবং স্কাইওয়াচিং ইত্যাদির মতো পরিষেবা সরবরাহ করে ..লামাগাঁওয়ের সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হোমস্টে মূল দার্জিলিং শহর থেকে 33 কিলোমিটার দূরে।একটি সুন্দর ঘরোয়া পরিবেশের সাথে তার উদ্দেশ্যটি পরিবেশন করে। আপনি হোমস্টেরের চত্বর থেকে পর্বতমালা উপেক্ষা করে চোখ বন্ধ করতে ভুলে যাবেন।লামগাঁয়ে এই আরামদায়ক অবস্থানটি আপনাকে নিখুঁত মায়াময় প্রশান্তি এবং মন এবং আত্মার শান্তি দেবে। আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক ছোঁয়ায় আতিথেয়তার মতো বাড়ির সর্বোত্তম পরিবেশনা প্রদান করা হোমস্টে তার ধরণের বিজনবাড়ু উপত্যকার অন্যতম সেরা। দর্শনার্থীরা আপনার পছন্দ এবং স্বাদ অনুসারে ঘরে রান্না করা traditionalতিহ্যবাহী খাবার উপভোগ করতে পছন্দ করবেন।

দার্জিলিং থেকে লামাগাঁওয়ের জন্য স্থানীয় দৈনিক ট্যাক্সি পরিষেবা পাওয়া যায়। প্রতি ব্যক্তি ১২০ জন বা যেকোন টাটা স্প্যাসিও / টাটা সুমোর মতো গাড়ি রিজার্ভ করতে পারবেন প্রায় ২,০০০ টাকায়। 1800 - 2000. যা দার্জিলিং থেকে সহজেই পাওয়া যায়।

ছবি- হোটেল
✍️✍️ -দেব




















Thursday, August 13, 2020

পেনাং এর প্রনাম

নেশা টাকে পেশা করার পর থেকে পাহাড়ের বুকে ডানা মেলে ওড়ার নেশা টা আমাকে ছেড়ে যেতে চায় না আর আমিও যেতে দিও না, সেটা আপনারা জানেন,কালিমপঙ জেলার বিভিন্ন ছোট ছোট সুন্দরী গ্রামের খোঁজ আপনাদের অনেক দিয়েছি, কিন্তু আজ যে গ্রামের খোঁজ দিতে চলেছি সেটা অধিকাংশ পাহাড় প্রেমী মানুষের কাছে আজও অধরা, পাহাড়ের বিভিন্ন অনাচেকানাচে ঘোরার নেশায় একদিন হঠাৎ করে এক পাহাড়ি বন্ধুর বাইকে করে পেয়েছে যাই কালিমপঙ শহর থেকে 22 কিলোমিটার দূরে এক অচেনা সুন্দরী গ্রাম পেনাং , পাহাড়ী বন্ধু কে সাথে নিয়ে উড়ে চলেছি অজানার উদ্দেশে, হঠাৎ চোখে পড়ে এক নির্জনে চারিদিক ধান ক্ষেত ও ওক পাইন ফার গাছের সারির ফাঁকে উকি দিচ্ছে মির্মল একটা ছোট্ট গ্রাম,, যেখানে বসতি বলতে মাত্র 25/30 টি ঘরের বাসিন্দা,,তার মধ্যেই চোখে পড়লো সুন্দর সাজানো একটি রঙিন ঘর,, খোঁজও করলাম সেটি একটি হোমস্টে, যেটা আজও পাহাড় প্রেমী দের কাছে পৌঁছে দিতে পারেনি তাঁরা,,এদের সাথে কথা বলে থেকে গেলাম একটি রাত এই ছোট্ট নীড়ে,,, আপ্যায়ন কথা টা এদের জন্য খুব ছোট কথা,যেন মনে হলো তাদের কাছে তাদেরই কোনো নিকট ভাই বা দাদা এসেছে,,, একটা নির্ভজাল গ্রাম অল্প সংখ্যক মানুষ চারি দিকে ধান,ফুলকপি, বাধাকপি, ভুট্টা, গাজর, বিন্মস,আরো কত কিছু চাষ করে নিজের জীবন যাপন করছে,,, এই মানুষ গুলোর অনেকেই হিদী ভাষা টুকুও বলতে পারেন,, চারি দিকে মনমাতানো নাম না জানা পাখির ডাক আর হিমশীতল বাতাস নিয়ে সন্ধে নামে ঝিঝির ডাক আর জোনাকির আলোয়,, কি করে না ভালোবসে থাকা যায় এদের বলুনতো,,,আর এরাম শান্তি কোথায় আছে আমাদের কংক্রিটের জঙ্গলে,, আপনারাও যান একটু ঘুরে আসুন এই মানুষ গুলোর মাঝে,, শান্তি ভাষা টার একটা নতুন রূপ পাবেন

আপনাদের আমন্ত্রণ রইলো এই মানুষ গুলোর পক্ষ থেকে পেনাং গ্রামে🙏🙏











Tuesday, August 4, 2020

Sunwar gaon..

ঘুরে আসুন Sunwar gaon..

কালিম্পং থেকে মাত্র ৩০ মিনিটে পৌছে যেতে পারেন মন পাগল করা সুনওয়ার গাঁও তে।।কাঠের ঘর থেকে ১৮০ ডিগ্রী পাহাড়ি ঢাল, কিছুটা কাঞ্চনজঙ্ঘা আর নানান প্রজাপতি ও পাখিদের সহাবস্থান।। জঙ্গলের রাস্তা ধরে পায়ে হেঁটে পৌছে যান অচেনা কোনও গ্রামে, সাথে থাকবে হিমালয়ের চেনা মুখ।। বারান্দায় বসে সানসেট এর দৃশ্য আপনার স্মৃতি পটে বহুদিন আঁকা থাকবে।।শুধু বারান্দায় বসেই কেটে যায় সারাবেলা।।।

Sunwar gaon তেই গড়ে উঠেছে Himalayan Eagle homestay...সুদৃশ কাঠের ঘর।।বিশেষ করে ট্রিপল এবং ডাবল বেডেড রুম গুলি বেশ সুন্দর।।সবচেয়ে সুন্দর ট্রিপল বেডেড রুম গুলি
।বেশ পরিচ্ছন্ন সবকিছুই।।

DBR 2000/ TBR 2500/ Four bedded room 3000 এবং Suit 3500..

এবার আসি খাওয়া খরচে ।।খাওয়া দাওয়া'র খরচ টা একটু বেশি লেগেছে আমার।।৬৫০/ দিন/ মাথা।। এমাউন্ট টা বিশাল কিছু না হলেও ভ্যালু ফর মানি বিচার করলে ওটা ৫৫০ বা ৫০০ হলে ভাল ছিল।।এছাড়া যিনি দেখাশোনা করেন সুসান খাটতি তার ব্যবহার ও অনেক সময় আপনার কাছে খারাপ লাগতে পারে।।হোমস্টে থেকে কালিম্পং সাইটসিং ১৮০০ টাকা, আর শুধু কালিম্পং ড্রপ ৫০০ টাকা।।আমার সাজেশন খাওয়া দাওয়া বাইরেই করুন শুধু ডিনার টা ওখানে করতে পারেন।।এই বিষয় গুলি মানিয়ে নিলে Sunwar gaon এর এই হোমস্টে কিন্তু আপনার কাছে চিরকাল সুন্দর এক স্মৃতি হয়ে থাকবে৷ আমিও কোনও দিন ভুলতে পারব না এই অনবদ্য অভিজ্ঞতা কে।।

এই হোমস্টে সবচেয়ে পপুলার ব্রুনো।।দুটো দিন ব্রুনো আমাদের সফর সাথী হয়ে ছিল, যেখানেই গেছি ব্রুনো আমাদের অভিভাবক এর মত গাইড করেছে৷ এত নিম্র ভদ্র এবং বিনয়ী এলসেশিয়ান কোনও দিন দেখিনি।।আপনাদের ও মায়া পড়ে যাবে ব্রুনো প্রতি।।শুধু ওর জন্যই আবার যেতে মন চাইবে।।

Contact for booking+918910920174/ +919903228000









চুইখিম

চুইখিম বাগরাকোট থেকে লাভা লোলেগাঁও যাওয়ার পথে পাহাড়ের কোলে সবুজে ঢাকা একটি ছোট্ট গ্রাম হলো চুইখিম। শিলিগুড়ি থেকে ওথলাবাড়ির সাড়ে চার কিলোমিটা...