Friday, October 30, 2020
স্বর্গ রাজ্য ইয়েলবং
Monday, September 21, 2020
সিটং একটি লুকনো রত্ন
আজ কিন্তু সিটং নাম শোনেন নি এমন বাঙালি খুঁজে বের করতে হবে। আমি যখন প্ল্যান করেছিলাম ২০১৮ সালে তখন প্রথম নাম টি শুনে কৌশিক বাবু বলে ছিলেন এটা আবার কোন খানে। আজ যখন লিখতে বসছি নতুন করে কিছু বলার নেই সিটং এর ব্যাপারে তাও যারা জানেন না তাদের একটু জানাবার চেষ্টা করছি।।
পাহাড়ে ঘেরা, সবুজে ঢাকা এক সাজানো এক লেপচা জনপদ। নাম সিটং। কার্শিয়ং মহকুমার এই ছোট্ট এলাকাই এখন পর্যটন মানচিত্রের নতুন আকর্ষণ। রয়েছে সাধ্যের মধ্যে হোম স্টে পরিষেবাও । আর এখান থেকেই আপনি পাবেন পাহাড়ের সবথেকে মহার্ঘ , ১৮০ ডিগ্রি কাঞ্চনজঙ্ঘা র অনুপম দৃশ্য । আপনি নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মিরিক হয়ে আসতে পারেন অথবা কার্শিয়ং হয়ে দিলারাম থেকে ডানদিকে বাঁক নিয়ে । ঘণ্টা দুয়েক লাগবে ।
প্রথমদিন পৌঁছে একটু হেঁটে ঘুরে নিন আশপাশের লেপচা গ্রাম , পাঁচ পোখরি , নামথিং পোখরি আর একটু ছোট করে জঙ্গল ট্রেক । সিটং থেকে আপনি গাড়ি নিয়ে ঘুরে নিতে পারেন কলিঝোরা, মনে রাখতে হবে সিটং কমলালেবু গার্ডেনের জন্যে বিখ্যাত । তাই গার্ডেন মিস করলে সেটা অন্যায়। তবে কোন সিজনে যাচ্ছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। মংপু ( খোঁজ নিয়ে যাবেন বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে), চার্চ , লাটপঞ্চার, আলধারা ভিউ পয়েন্ট, মহানন্দা ওয়াইল্ড লাইফ সঙ্কচুয়ারি ( ভোর বেলা না গেলে পাখি দেখা হবে না) রিয়াং রিভার এর ওপর যোগীঘাট ব্রিজ ,এই জায়গা গুলো এখন আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পক্ষি দর্শনের জন্যে । মিনিট দশেক নেমে গেলে পাবেন কমলালেবুর বাগান ( শীতকালে )। আপনাকে স্বাগত জানাবে গাছে ঝুলে থাকা , থোকা থোকা কমলালেবু ।
Friday, August 21, 2020
লামাগাঁও
আপনি কি পাহাড় বলতে দার্জিলিং, সিকিম, ছাড়া নর্থ বেঙ্গলের অন্য অফ বিট কোন জায়গার কথা ভাবছেন কিন্তু ঠিক করতে পারছেন না কোথায় যাবেন তাহলে আপনি একদম ঠিক পোস্ট দেখছেন। আজ আমি পরিচয় করিয়ে দেবো আপনাদের একটি সুন্দর গ্রামের যেটি দার্জিলিং থেকে মটে ৪০ কিমি দূরে অবস্তিত
লামাগাঁও উচ্চ পর্বতমালার পরিসরের মধ্যে অবস্থিত একটি ছোট্ট সুন্দর গ্রাম যা দার্জিলিং জেলার -বিজনবাড়ি উন্নয়ন ব্লকের অন্তর্গত, দার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ৩৫-৪০ কিলোমিটার দূরে এবং প্রায় ১২ বিজনবাড়ি থেকে কিলোমিটার।এই জায়গাটি স্থানীয়ভাবে জন্মানো উদ্ভিদ 'ইস্কুস' এর জন্য বিখ্যাত যা উপত্যকার অন্যতম প্রধান চাষ। ইস্কাস ছাড়াও এলাচ লামাগাঁওয়ের স্থানীয় কৃষকরা চাষাবাদ করেছেন।শান্তি ও শান্ত পরিবেশের জন্য আপনার নিখুঁত গন্তব্য এবং এটি টাঙ্গলু এবং সান্দাকফু কেও সংযুক্ত করে সামসু এবং ধোত্রিয়া গ্রামের এর মাধ্যমে।
লামাগাঁয়ে থাকার সবচেয়ে ভাল জায়গা হ'ল হোমস্টে যা লামাগাঁও গ্রামের মধ্যে অবস্থিত। হোম স্টে টি সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের পাদদেশে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ট্রেকিং, হাইকিং, অফ-রোড ড্রাইভ, ফিশিং, বার্ডিং এবং স্কাইওয়াচিং ইত্যাদির মতো পরিষেবা সরবরাহ করে ..লামাগাঁওয়ের সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হোমস্টে মূল দার্জিলিং শহর থেকে 33 কিলোমিটার দূরে।একটি সুন্দর ঘরোয়া পরিবেশের সাথে তার উদ্দেশ্যটি পরিবেশন করে। আপনি হোমস্টেরের চত্বর থেকে পর্বতমালা উপেক্ষা করে চোখ বন্ধ করতে ভুলে যাবেন।লামগাঁয়ে এই আরামদায়ক অবস্থানটি আপনাকে নিখুঁত মায়াময় প্রশান্তি এবং মন এবং আত্মার শান্তি দেবে। আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক ছোঁয়ায় আতিথেয়তার মতো বাড়ির সর্বোত্তম পরিবেশনা প্রদান করা হোমস্টে তার ধরণের বিজনবাড়ু উপত্যকার অন্যতম সেরা। দর্শনার্থীরা আপনার পছন্দ এবং স্বাদ অনুসারে ঘরে রান্না করা traditionalতিহ্যবাহী খাবার উপভোগ করতে পছন্দ করবেন।
দার্জিলিং থেকে লামাগাঁওয়ের জন্য স্থানীয় দৈনিক ট্যাক্সি পরিষেবা পাওয়া যায়। প্রতি ব্যক্তি ১২০ জন বা যেকোন টাটা স্প্যাসিও / টাটা সুমোর মতো গাড়ি রিজার্ভ করতে পারবেন প্রায় ২,০০০ টাকায়। 1800 - 2000. যা দার্জিলিং থেকে সহজেই পাওয়া যায়।
ছবি- হোটেল
✍️✍️ -দেব
Thursday, August 13, 2020
পেনাং এর প্রনাম
নেশা টাকে পেশা করার পর থেকে পাহাড়ের বুকে ডানা মেলে ওড়ার নেশা টা আমাকে ছেড়ে যেতে চায় না আর আমিও যেতে দিও না, সেটা আপনারা জানেন,কালিমপঙ জেলার বিভিন্ন ছোট ছোট সুন্দরী গ্রামের খোঁজ আপনাদের অনেক দিয়েছি, কিন্তু আজ যে গ্রামের খোঁজ দিতে চলেছি সেটা অধিকাংশ পাহাড় প্রেমী মানুষের কাছে আজও অধরা, পাহাড়ের বিভিন্ন অনাচেকানাচে ঘোরার নেশায় একদিন হঠাৎ করে এক পাহাড়ি বন্ধুর বাইকে করে পেয়েছে যাই কালিমপঙ শহর থেকে 22 কিলোমিটার দূরে এক অচেনা সুন্দরী গ্রাম পেনাং , পাহাড়ী বন্ধু কে সাথে নিয়ে উড়ে চলেছি অজানার উদ্দেশে, হঠাৎ চোখে পড়ে এক নির্জনে চারিদিক ধান ক্ষেত ও ওক পাইন ফার গাছের সারির ফাঁকে উকি দিচ্ছে মির্মল একটা ছোট্ট গ্রাম,, যেখানে বসতি বলতে মাত্র 25/30 টি ঘরের বাসিন্দা,,তার মধ্যেই চোখে পড়লো সুন্দর সাজানো একটি রঙিন ঘর,, খোঁজও করলাম সেটি একটি হোমস্টে, যেটা আজও পাহাড় প্রেমী দের কাছে পৌঁছে দিতে পারেনি তাঁরা,,এদের সাথে কথা বলে থেকে গেলাম একটি রাত এই ছোট্ট নীড়ে,,, আপ্যায়ন কথা টা এদের জন্য খুব ছোট কথা,যেন মনে হলো তাদের কাছে তাদেরই কোনো নিকট ভাই বা দাদা এসেছে,,, একটা নির্ভজাল গ্রাম অল্প সংখ্যক মানুষ চারি দিকে ধান,ফুলকপি, বাধাকপি, ভুট্টা, গাজর, বিন্মস,আরো কত কিছু চাষ করে নিজের জীবন যাপন করছে,,, এই মানুষ গুলোর অনেকেই হিদী ভাষা টুকুও বলতে পারেন,, চারি দিকে মনমাতানো নাম না জানা পাখির ডাক আর হিমশীতল বাতাস নিয়ে সন্ধে নামে ঝিঝির ডাক আর জোনাকির আলোয়,, কি করে না ভালোবসে থাকা যায় এদের বলুনতো,,,আর এরাম শান্তি কোথায় আছে আমাদের কংক্রিটের জঙ্গলে,, আপনারাও যান একটু ঘুরে আসুন এই মানুষ গুলোর মাঝে,, শান্তি ভাষা টার একটা নতুন রূপ পাবেন
আপনাদের আমন্ত্রণ রইলো এই মানুষ গুলোর পক্ষ থেকে পেনাং গ্রামে🙏🙏
Tuesday, August 4, 2020
Sunwar gaon..
ঘুরে আসুন Sunwar gaon..
কালিম্পং থেকে মাত্র ৩০ মিনিটে পৌছে যেতে পারেন মন পাগল করা সুনওয়ার গাঁও তে।।কাঠের ঘর থেকে ১৮০ ডিগ্রী পাহাড়ি ঢাল, কিছুটা কাঞ্চনজঙ্ঘা আর নানান প্রজাপতি ও পাখিদের সহাবস্থান।। জঙ্গলের রাস্তা ধরে পায়ে হেঁটে পৌছে যান অচেনা কোনও গ্রামে, সাথে থাকবে হিমালয়ের চেনা মুখ।। বারান্দায় বসে সানসেট এর দৃশ্য আপনার স্মৃতি পটে বহুদিন আঁকা থাকবে।।শুধু বারান্দায় বসেই কেটে যায় সারাবেলা।।।
Sunwar gaon তেই গড়ে উঠেছে Himalayan Eagle homestay...সুদৃশ কাঠের ঘর।।বিশেষ করে ট্রিপল এবং ডাবল বেডেড রুম গুলি বেশ সুন্দর।।সবচেয়ে সুন্দর ট্রিপল বেডেড রুম গুলি
।বেশ পরিচ্ছন্ন সবকিছুই।।
DBR 2000/ TBR 2500/ Four bedded room 3000 এবং Suit 3500..
এবার আসি খাওয়া খরচে ।।খাওয়া দাওয়া'র খরচ টা একটু বেশি লেগেছে আমার।।৬৫০/ দিন/ মাথা।। এমাউন্ট টা বিশাল কিছু না হলেও ভ্যালু ফর মানি বিচার করলে ওটা ৫৫০ বা ৫০০ হলে ভাল ছিল।।এছাড়া যিনি দেখাশোনা করেন সুসান খাটতি তার ব্যবহার ও অনেক সময় আপনার কাছে খারাপ লাগতে পারে।।হোমস্টে থেকে কালিম্পং সাইটসিং ১৮০০ টাকা, আর শুধু কালিম্পং ড্রপ ৫০০ টাকা।।আমার সাজেশন খাওয়া দাওয়া বাইরেই করুন শুধু ডিনার টা ওখানে করতে পারেন।।এই বিষয় গুলি মানিয়ে নিলে Sunwar gaon এর এই হোমস্টে কিন্তু আপনার কাছে চিরকাল সুন্দর এক স্মৃতি হয়ে থাকবে৷ আমিও কোনও দিন ভুলতে পারব না এই অনবদ্য অভিজ্ঞতা কে।।
এই হোমস্টে সবচেয়ে পপুলার ব্রুনো।।দুটো দিন ব্রুনো আমাদের সফর সাথী হয়ে ছিল, যেখানেই গেছি ব্রুনো আমাদের অভিভাবক এর মত গাইড করেছে৷ এত নিম্র ভদ্র এবং বিনয়ী এলসেশিয়ান কোনও দিন দেখিনি।।আপনাদের ও মায়া পড়ে যাবে ব্রুনো প্রতি।।শুধু ওর জন্যই আবার যেতে মন চাইবে।।
Contact for booking+918910920174/ +919903228000
চুইখিম
চুইখিম বাগরাকোট থেকে লাভা লোলেগাঁও যাওয়ার পথে পাহাড়ের কোলে সবুজে ঢাকা একটি ছোট্ট গ্রাম হলো চুইখিম। শিলিগুড়ি থেকে ওথলাবাড়ির সাড়ে চার কিলোমিটা...
-
পৃথিবীতে দেখার জিনিসের কোনও শেষ নেই আর সেটা যদি ঘোরার জাইগা হয় তাহলে তো কথাই নেই। আজ এই রকম একটি জাইগার কথা আপনাদের বলবো এক ঝলক দেখলে ...
-
চন্দ্রকেতুগড়ের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিদ্যাধারী নদীর তীরে, কলকাতার উত্তর-পূর্বে প্রায় 35 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত...
-
অজানাকে জানবার অচেনা কে চেনবার ইচ্ছা আমাকে বরাবর তারা করে তাই কোন কিছু না ভেবে আজ বেরিয়ে পড়লাম। অনেক অনেক দিন বাড়িতে থাকতে থাকতে কেমন যেন ...















































